চলুন দেখি আর কি কি পদ্ধতিতে কারিপাতাকে চুলের সমস্যার জন্য ব্যাবহার করা হয়
নারকেল তেল ও কারিপাতার মিশ্রণ
যাঁদের চুল পড়ার সমস্যা আছে তাঁরা নারকেল তেল ও কারিপাতার মিশ্রণ করে মাথায় লাগাবেন। মিশ্রণটি কিভাবে করবেন চলুন দেখি প্রথমে পরিমান মতো কারিপাতা নেবেন তারপর পরিমান মতো নারকেল তেল নেবেন তারপর সেগুলকে একসঙ্গে ফোটাবেন তারপর সেই মিশ্রণটি চুলে লাগাবেন তারপর ৩০ মিনিটের মতো রেখে সাবান বা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। এই প্রক্রিয়ার ফলে চুলের সমস্যা কমতে পারে বলে আমার মনে হয়।
কারিপাতার পেস্ট
কচি কারিপাতার সঙ্গে সামান্য পরিমান জল নিয়ে তারপর সেটিকে বেটে মাথায় লাগাবেন এবং ৩০-৪০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলবেন, এর ফলে চুলের খুসকি দূর হবে। সুতরাং এই পেস্ট মাসে ৩-৪ বার লাগালে চুলের সমস্যা অনেকটা দূর হবে অর্থাৎ চুল পড়া অনেকটা কমবে।
পানীয় হিসাবে কারিপাতা
যারা যারা চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা চায়ের সঙ্গে সামান্য পরিমান কারিপাতা নিয়ে ফুটিয়ে সেই চা প্রতিনিয়ত খেতে পারেন এতে চুল পড়া কমতে পারে।
চুলের রঙের উন্নতি
চুল লাল বা পেকে গেলে কারিপাতাকে বেটে সেই স্থানে লাগাতে পারেন এতে একদিকে যেমন চুলের ময়লা দূর হবে তেমনই অন্যদিকে চুলের রঙও উজ্জ্বল হবে।
আপনারা যদি এই কার্য ঘরোয়া ভাবে করতে না পারেন তাহলে বাজার থেকে কারিপাতা মিশ্রিত তেল কিনে চুলে মাখতে পারেন অথবা আপনারা বাড়িতে বসেও অনলাইন থেকে এই কারিপাতা মিশ্রিত তেল কিনতে পারেন। আপনারা যদি এই কারিপাতা মিশ্রিত তেল বাড়িতে বসে কিনতে চান তাহলে এখানে ক্লিক করুন।
আরও পড়ুন-
