পাতিলেবুর উপকারিতা ও অপকারিতা গুলি কি কি

 





তুমি ছাড়া আমার কে আর আছে ভাই রোজ তাই তোমাকে পাতে চাই ( পাতিলেবু )


প্রতিদিন ভাতের সঙ্গে পাতিলেবু যদি না থাকে তাহলে ভাত খাওয়ার রুচিটাই যেমন চলে যায়, তাই রোজ আমি ভাতের সঙ্গে পাতিলেবু খাই। এর সুগন্ধি আর টকভাবের জন্য ভাত কখন যে খাওয়া হয়ে যায় তা বোঝাই যায় না। আবার পাতিলেবুকে সরবত করেও খাওয়া হয়।

ভূমিকা 

অনেক ধরনের লেবুর মধ্যে দৈনন্দিন ব্যবহারে পাতিলেবুর পরিচিতিই সবথেকে বেশি, তাই এর বিশ্ববাজারে এখন প্রচুর চাহিদা। এর বিভিন্ন দিক থেকে অনেক কার্যকারিতা আছে তাই প্রতিদিন খাবারের সাথে একটুকরো পাতিলেবু রাখা অবশ্যই দরকার। 

পাতিলেবু উৎপাদনে আমাদের দেশই প্রথম রয়েছে তাই আমাদের দেশে পাতিলেবুর কোনো অভাব হয় না। এই ফলের চাষ খুবই লাভজনক তাই বর্তমানে ভারতবর্ষের অনেক ক্ষুদ্র কৃষক তাঁদের পেশারত চাষ ছেড়ে দিয়ে এই ফলের চাষ করছে।

পাতিলেবুর মধ্যে অনেক গুনাগুন থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর খাওয়ার মাত্রা কমানো দরকার। তাই এককথাই বোঝা গেল পাতিলেবু খেলে যেমন এর উপকারিতা আছে তেমনি এর অপকারিতাও আছে। তবে চলুন এর উপকারিতা ও অপকারিতাগুলো সহজেই জেনে নিই।


উপকারিতা 

. পাতিলেবুতে থাকে সাইট্রিক অ্যাসিড যা আমাদের হজম শক্তিকে অনেকগুন বাড়িয়ে দেয়।

. পাতিলেবুতে রয়েছে পেপটিন ও খাদ্যআঁশ যা মানুষের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে।

. পাতিলেবুতে থাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-সি যা আমাদের শরীরের রোগ জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করতে সক্ষম।

প্রতিদিন সকালে হালকা গরম জলের সঙ্গে পাতিলেবুর জল মিশিয়ে খেলে শরীরের মধ্যে থাকা বর্জ্য পদার্থ অনেকটা নাশ হয়।

. ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা ( ব্রনের দাগ, দাদের দাগ, চুলকানির দাগ ) প্রভৃতি দূর করতে রোজ এক গ্লাস করে পাতিলেবুর জল খাওয়া অবশ্যই দরকার।

.  হালকা কুসুমপানি জলের সঙ্গে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে পেশির রোগ, দাঁতের রোগ থেকে অনেকটা মুক্তি পাওয়া যায়।

.  পাতিলেবুতে আছে যথেষ্ট পরিমানে সাইটিক অ্যাসিড যা আমাদের শরীরের কেটে যাওয়া অংশের ক্ষত শুকাতে সাহায্য করে।






 অপকারিতা 

কোনো কিছুই বেশি খাওয়া উচিত নয় এতে আমাদের শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে, অতএব পাতিলেবুও তার বিপরীত নয়। সুতরাং পাতিলেবু অতিরিক্ত পরিমানে খেলে যে যে সমস্যাগুলি হয় সেগুলি হল--------

. পাতিলেবুতে সাইটিক অ্যাসিড থাকে তাই এটি অতিরিক্ত পরিমানে খেলে দাঁত পরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

. আমাদের শরীরে ভিটামিন-সি এর খুবই প্রয়োজন, আর পাতিলেবুতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-সি থাকে। সুতরাং এটি পরিমানের তুলনাই বেশি খেয়ে নিলে অ্যাসিডজনিত সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এবং এর জন্য বমি পর্যন্ত হতে পারে।

. পাতিলেবুতে থাকে ভিটামিন-সি আর অতিরিক্ত ভিটামিন-সি আমদের শরীরের আয়রনের মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয় যা আমাদের শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর।

.  অতিরিক্ত পরিমানে পাতিলেবুর জল পান করলে মাথাব্যাথা অর্থাৎ মাইগ্রেন সমস্যায় পরতে পারেন, তাই যাদের মাইগ্রেন সমস্যা আছে তাঁরা পাতিলেবু থেকে দূরে থাকুন।

বেশি পরিমানে পাতিলেবু খেলে আমাদের ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

  








 

  

 

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post